প্রথম ইনিংসে ১৮০ রানে এগিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নামে ইংল্যান্ড। দিনের খেলা শেষে ৪৬.৫ ওভারে ৭ উইকেটে ১৭৭ রান তুলেছে তারা। ফলে মোট লিড দাঁড়িয়েছে ৩৫৭ রানে। কঠিন সময়ে দলের হাল ধরে ড্যান লরেন্স ৬৪ বলে ৫০ রান করে অপরাজিত রয়েছেন। এ ছাড়া ওপেনার এমিরিও গে ৩১, হ্যারি ব্রুক ৩৪ এবং জো রুট ২৪ রান করেন।
পাকিস্তানের হয়ে বল হাতে আবারও উজ্জ্বল ছিলেন মোহাম্মদ আব্বাস। ৪৮ রানে তিনি নিয়েছেন ৩ উইকেট। খুররম শাহজাদ পেয়েছেন ২ উইকেট ৫৬ রান দিয়ে।
এর আগে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ডের পেস আক্রমণের সামনে দাঁড়াতেই পারেনি পাকিস্তান। মাত্র ৩৭.২ ওভারে ১১০ রানে অলআউট হয় সফরকারীরা। ওপেনার আজান ওয়াইস ১০২ বলে ৪৬ রান করে সর্বোচ্চ প্রতিরোধ গড়েন। শাকিল করেন ১৬ রান। আর কোনো ব্যাটার উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারেননি।
বাবর আজম মাত্র ৮ রান করে ফেরেন। পায়ের পেশির চোটের কারণে ব্যাটিংয়ে নামতে পারেননি ইমাম-উল-হক।
ইংল্যান্ডের হয়ে দুর্দান্ত সুইং ও পেসে পাকিস্তানের ব্যাটিং লাইনআপে ধস নামান অলি রবিনসন। মাত্র ১১ রান দিয়ে ৪ উইকেট নেন তিনি। জোফরা আর্চার ২৬ রানে ৩টি এবং জশ টাং ২টি উইকেট শিকার করেন।
দিন শেষে ইংল্যান্ডের দ্বিতীয় ইনিংসে ১৭৭ রান উঠেছে ৭ উইকেটে। হাতে রয়েছে আরও ৩ উইকেট। ফলে চতুর্থ দিনে পাকিস্তানের সামনে বিশাল লক্ষ্য দাঁড় করানোর সুযোগ রয়েছে স্বাগতিকদের।
ম্যাচ বাঁচাতে হলে পাকিস্তানের বোলারদের দ্রুত ইংল্যান্ডের বাকি ৩ উইকেট তুলে নিতে হবে। এরপর ব্যাটারদের সামনে থাকবে বড় রানের কঠিন লক্ষ্য তাড়ার চ্যালেঞ্জ।
এর আগে টসে হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে ইংল্যান্ড ২৯০ রানে অলআউট হয়। মিডল অর্ডারে জেমি স্মিথ ৮০ বলে ৬১ এবং জর্ডান কক্স ১০৫ বলে ৫৫ রান করেন। শেষ দিকে গাস অ্যাটকিনসন ৪৬ বলে ৪৫ এবং জশ টাং অপরাজিত ৩০ রান করে দলকে ভালো সংগ্রহ এনে দেন।
পাকিস্তানের হয়ে বল হাতে মোহাম্মদ আব্বাস ৭৩ রানে ৪ উইকেট এবং মোহাম্মদ আলী ৮৬ রানে ৩ উইকেট নেন।
সংক্ষিপ্ত স্কোরইংল্যান্ড: প্রথম ইনিংস ২৯০/১০, ৬৬.৪ ওভার (স্মিথ ৬১, কক্স ৫৫; আব্বাস ৪/৭৩, আলী ৩/৮৬)। দ্বিতীয় ইনিংস ১৭৭/৭, ৪৬.৫ ওভার (লরেন্স ৫০*, ব্রুক ৩৪, এমিরিও ৩১, রুট ২৪; আব্বাস ৩/৪৮, খুররম ২/৫৬, আলী ২/৫৪)।
পাকিস্তান: প্রথম ইনিংস ১১০/১০, ৩৭.২ ওভার (ওয়াইস ৪৬, শাকিল ১৬; টাং ২/২৭, আর্চার ৩/২৬, রবিনসন ৪/১১)।
তৃতীয় দিন শেষে।

প্রথম দর্পণ,স্পোর্টস ডেক্স