ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থার বিষয়ে সরকারি পর্যায়ের সাম্প্রতিক মন্তব্য ও হস্তক্ষেপ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) সহ-সভাপতি (ভিপি) সাদিক কায়েম।
মঙ্গলবার রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ইসলামী ব্যাংকিং আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত একটি অর্থনৈতিক ব্যবস্থা, যা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সফলভাবে পরিচালিত হচ্ছে। এ ব্যবস্থার গ্রহণযোগ্যতা ও কার্যকারিতা নিয়ে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বিস্তৃত আলোচনা ও গবেষণা রয়েছে।
সাদিক কায়েমের ভাষ্য অনুযায়ী, ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে ‘ইসলামী’ বলা যাবে কি না, সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়ার দায়িত্ব রাষ্ট্রের কোনো প্রশাসনিক মন্ত্রণালয়ের নয়। তিনি মনে করেন, এ ধরনের বিষয়ে মতামত দেওয়ার ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ, অর্থনীতিবিদ ও ইসলামী স্কলারদের ভূমিকা অধিক গুরুত্বপূর্ণ।
পোস্টে তিনি প্রশ্ন তোলেন, আইনশৃঙ্খলা, জ্বালানি সংকট, মূল্যস্ফীতি, ছিনতাই ও চাঁদাবাজিসহ জনদুর্ভোগের বিভিন্ন ইস্যু থাকলেও সরকার কেন ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা নিয়ে বিতর্কে জড়াচ্ছে।
এ সময় তিনি সরকারের সমালোচনা করে দাবি করেন, দেশের অর্থনৈতিক খাত, বিশেষ করে ব্যাংকিং ব্যবস্থাকে কেন্দ্র করে অপ্রয়োজনীয় বিতর্ক সৃষ্টি করা হচ্ছে। তার মতে, জনগণের প্রত্যাশিত সমস্যাগুলোর সমাধানের পরিবর্তে ভিন্ন খাতে মনোযোগ দেওয়ায় প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে।
তবে এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, সম্প্রতি ইসলামী ব্যাংকিং ব্যবস্থা ও এর কার্যক্রম নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার প্রেক্ষাপটে বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় এসেছে।
বিকল্প চটকদার শিরোনাম:
ইসলামী ব্যাংকিং বিতর্কে সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুললেন সাদিক কায়েম
‘জনদুর্ভোগ রেখে ইসলামী ব্যাংকিং নিয়েই কেন ব্যস্ত সরকার?’
ইসলামী ব্যাংকিং ইস্যুতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ভূমিকা নিয়ে সমালোচনা
ব্যাংকিং খাতে হস্তক্ষেপ নয়, জনসমস্যা সমাধানে মনোযোগের আহ্বান
ইসলামী ব্যাংকিং বিতর্কে নতুন প্রশ্ন ছুড়লেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম

মো. জাকির হোসাইন,স্টাফ রিপোর্টার