‘জুলাই ফাউন্ডেশনকে পূর্ণ রাষ্ট্রীয় সহায়তা দিন, শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে রায় কার্যকর করুন’

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০১ জুলাই ২০২৬, ০৫:০২ বিকাল
  • ১৫০৭৭ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্যসচিব ও রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন বলেছেন, জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের প্রতি রাষ্ট্রের দায়িত্ব এখনো পুরোপুরি পালন করা হয়নি। তিনি আহতদের উন্নত চিকিৎসা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পুনর্বাসন এবং ‘জুলাই ফাউন্ডেশনকে’ পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রীয় সহায়তা দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।

বুধবার (১ জুলাই) রাজধানীর রায়েরবাজার বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে জুলাইয়ের শহীদদের কবর জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

আখতার হোসেন বলেন, কোটা সংস্কার আন্দোলন পরবর্তীতে গণঅভ্যুত্থানে রূপ নেয়। ছাত্র-জনতা, বিভিন্ন পেশাজীবী, শ্রমিক ও প্রবাসীদের অংশগ্রহণে যে নতুন বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখা হয়েছিল, দুই বছর পরও তার পূর্ণ বাস্তবায়ন হয়নি।

তিনি বলেন, অনেক আহত ব্যক্তি এখনো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন এবং অনেকে স্থায়ীভাবে পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। সরকারের পক্ষ থেকে কিছু সহায়তা দেওয়া হলেও তা প্রয়োজনের তুলনায় অপর্যাপ্ত। তাই শহীদ পরিবার ও আহতদের চিকিৎসা, পুনর্বাসন এবং সার্বিক কল্যাণ নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব বলে তিনি উল্লেখ করেন।

বিচারের প্রসঙ্গে এনসিপির এই নেতা বলেন, অভ্যুত্থান চলাকালে হত্যাকাণ্ড, গুলিবর্ষণ ও সহিংসতায় জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে হবে। তিনি দাবি করেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি এবং যেসব আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য এসব ঘটনায় জড়িত ছিলেন, তাদের বিরুদ্ধে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে হবে। পাশাপাশি ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক আলোচনার মাধ্যমে শেখ হাসিনাকে দেশে ফিরিয়ে আদালতের রায় কার্যকরের আহ্বান জানান তিনি।

‘জুলাই ফাউন্ডেশন’ প্রসঙ্গে আখতার হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে বেতন-ভাতা বন্ধ থাকায় প্রতিষ্ঠানটি কার্যত অকার্যকর হয়ে পড়েছে। তিনি সরকারের প্রতি ফাউন্ডেশনের বেতন-ভাতা দ্রুত চালু করা এবং এটিকে কার্যকর প্রতিষ্ঠানে পরিণত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করার আহ্বান জানান।

এ সময় তিনি আরও বলেন, জুলাই স্মৃতি জাদুঘর দীর্ঘদিন ধরে সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত না থাকায় সেখানে সংরক্ষিত গুরুত্বপূর্ণ আলামত ও নিদর্শন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। তাই ইতিহাস সংরক্ষণ এবং নতুন প্রজন্মের কাছে জুলাই অভ্যুত্থানের স্মৃতি তুলে ধরতে জাদুঘরটি দ্রুত জনসাধারণের জন্য খুলে দেওয়ার দাবি জানান তিনি।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad