গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের হিসাব অনুযায়ী, গত ৪৮ ঘণ্টায় ইসরাইলি হামলায় আরও ৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এ সময়ে আহত হয়েছেন ১৮ জন। পাশাপাশি ধ্বংসস্তূপ থেকে কয়েকজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলমান হামলায় এ নিয়ে গাজায় নিহতের সংখ্যা ৭৩ হাজার ৪৪৯ এবং আহতের সংখ্যা ১ লাখ ৭৪ হাজার ৪৭২ জনে পৌঁছেছে।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও গাজায় হামলা ও হতাহতের ঘটনা অব্যাহত রয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পর ইসরাইলি হামলা ও অন্যান্য লঙ্ঘনের ঘটনায় ১ হাজার ৩১৩ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ৪ হাজার ৩৬১ জন আহত হয়েছেন।
এদিকে ফিলিস্তিনি সেন্টার ফর মিসিং অ্যান্ড ফরসিবলি ডিসঅ্যাপিয়ার্ডের এক গবেষণায় গাজায় জোরপূর্বক নিখোঁজের বিষয়টি উঠে এসেছে। গবেষণায় বলা হয়েছে, যুদ্ধ চলাকালে প্রায় ২ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার মানুষ জোরপূর্বক নিখোঁজ হয়ে থাকতে পারেন। ৩১৭টি ঘটনার নমুনা বিশ্লেষণ করে এই হিসাব করা হয়েছে।
এ ছাড়া ইসরাইলি হামলায় ধ্বংস হওয়া ভবনগুলোর ধ্বংসস্তূপের নিচে এখনো বহু মানুষ চাপা পড়ে রয়েছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ফলে সরকারি হিসাবে প্রকাশিত নিহতের সংখ্যার তুলনায় প্রকৃত প্রাণহানি আরও বেশি হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।
২০২৩ সালের অক্টোবর থেকে চলমান এই যুদ্ধে গাজার আবাসিক এলাকা, হাসপাতাল, অবকাঠামোসহ বিভিন্ন বেসামরিক স্থাপনা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও সাম্প্রতিক দিনগুলোতে গাজায় প্রাণহানির ঘটনা অব্যাহত রয়েছে।
সূত্র: রয়টার্স, ডেইলি সাবাহ, ইমপ্যাক্ট ইন্টারন্যাশনাল, নিউজকর্ড ও ইয়েনি শাফাক

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স