সোমবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেন রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার সনাতন চক্রবর্তী।
এদিকে গণপতি চক্রবর্তীসহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা মামলায় আসামিদের রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড মঞ্জুর না করে তাঁদের দুই দিন তিন ঘণ্টা করে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছেন।
সনাতন চক্রবর্তী জানান, গণপতি চক্রবর্তীসহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা মামলায় অভিযুক্ত মুগ্ধ দাস ও সিদ্ধার্থ দাসের ডোপ টেস্ট করা হয়। পরীক্ষার ফল নেগেটিভ এসেছে এবং তাঁদের নমুনায় মাদকের কোনো অস্তিত্ব পাওয়া যায়নি।
তিনি বলেন, আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে আসামিরা ইয়াবা সেবনের কথা জানিয়েছিলেন। তাঁদের দেওয়া ওই বক্তব্য এবং ঘটনাস্থল থেকে কিছু আলামত উদ্ধারের পর রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মাধ্যমে তাঁদের নমুনা সংগ্রহ করে ডোপ টেস্টের জন্য পাঠানো হয়।
তবে গ্রেপ্তারের দিনই তাঁদের ডোপ টেস্ট করা সম্ভব হয়নি। ঘটনার প্রায় ১০ দিন পর নমুনা সংগ্রহ করা হয়। সাধারণত ১০ দিন পর নমুনায় মাদকের উপস্থিতি শনাক্ত করা কঠিন হয়ে পড়ে বলে জানান তিনি। এ বিষয়ে বিশেষজ্ঞরা বিস্তারিত বলতে পারবেন বলেও উল্লেখ করেন পুলিশের এই কর্মকর্তা।
তিনি আরও জানান, মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।
এর আগে রোববার দুপুরে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ ও মেডিকেল টিমের সমন্বয়ে রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগার থেকে মুগ্ধ ও সিদ্ধার্থের ডোপ টেস্টের নমুনা সংগ্রহ করা হয়।
অন্যদিকে, গণপতি চক্রবর্তীসহ তাঁর পরিবারের সদস্যদের হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা জিন্নাত আলী হোসেন রংপুর মেট্রোপলিটন চিফ জুডিশিয়াল আদালতে আসামিদের রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত রিমান্ড মঞ্জুর না করে আসামিদের রংপুর কেন্দ্রীয় কারাগারের ফটকে দুই দিন, প্রতিদিন তিন ঘণ্টা করে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন।

প্রথম দর্পণ অনলাইন,ডেক্স