স্বাস্থ্যখাতে জনগণের আস্থা ফেরাতে মানসম্মত সেবা নিশ্চিতের ওপর জোর

  • প্রথম দর্পণ,ডেস্ক
  • আপলোড সময় : ০২ আগস্ট ২০২৬, ১০:০৭ রাত
  • ৩১০০ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg

দেশের স্বাস্থ্য ব্যবস্থার প্রতি জনগণের আস্থা পুনরুদ্ধারই সরকারের প্রধান লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত। তিনি বলেছেন, দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই হাসপাতাল ও ক্লিনিকগুলোর সেবার মান নিশ্চিত করতে নিয়মিত তদারকি করা হচ্ছে। তবে শুধু হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের ওপর নির্ভর করলেই স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়ন সম্ভব নয়; খাদ্যে ভেজাল প্রতিরোধ, নির্ভুল রোগ নির্ণয় এবং প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবার ওপর সমান গুরুত্ব দিতে হবে।

রোববার (২ আগস্ট) বিকেলে বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ম্যানেজমেন্ট (বিআইএম)-এ বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড (বিএবি) আয়োজিত এক নীতি-নির্ধারণী সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃত (অ্যাক্রেডিটেড) ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরির সংখ্যা বাড়ানো গেলে বিদেশে চিকিৎসার জন্য যাওয়া রোগীদের ভোগান্তি উল্লেখযোগ্যভাবে কমবে। একই সঙ্গে চিকিৎসা খাতে বৈদেশিক মুদ্রার অপচয়ও হ্রাস পাবে।

তিনি জানান, বর্তমানে দেশে ১০ হাজারের বেশি ডায়াগনস্টিক ল্যাবরেটরি থাকলেও আন্তর্জাতিক মানের অ্যাক্রেডিটেশন রয়েছে মাত্র হাতে গোনা কয়েকটির। এ অবস্থায় শুরুতেই কঠোর আইন প্রয়োগের পরিবর্তে ল্যাব মালিক ও পরিচালনা কর্তৃপক্ষকে সচেতন করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

ড. এম এ মুহিত বলেন, মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা গেলে মানুষের আস্থা যেমন বাড়বে, তেমনি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ব্যবসায়িক সাফল্যও বৃদ্ধি পাবে। ফলে উদ্যোক্তারাই স্বতঃস্ফূর্তভাবে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জনে আগ্রহী হবেন।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ থেকে প্রতিবছর বিপুলসংখ্যক মানুষ চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান। কিন্তু দেশের অনেক ল্যাবরেটরির পরীক্ষার ফলের ওপর আস্থার ঘাটতি থাকায় বিদেশে গিয়ে একই পরীক্ষা পুনরায় করাতে হয়। এতে রোগীদের অতিরিক্ত অর্থ ব্যয়ের পাশাপাশি মূল্যবান সময়ও নষ্ট হয়। দেশে আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ল্যাবরেটরির সংখ্যা বৃদ্ধি পেলে রোগীরা দেশেই নির্ভরযোগ্য পরীক্ষা করিয়ে বিদেশে চিকিৎসা নিতে পারবেন, যা তাদের চিকিৎসা ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনবে।

সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব আব্দুন নাসের খান, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস এবং বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড ও স্বাস্থ্যখাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad