চুয়াডাঙ্গা পৌর জামায়াতের মহিলা বিভাগের সাবেক সেক্রেটারি ও প্রবীণ রুকন জেবুন্নেছা খাতুনের (৭০) দাফন সম্পন্ন হয়েছে। বুধবার (১৯ আগস্ট) সকাল ৯টায় চুয়াডাঙ্গা শহরের মাছপট্টি সংলগ্ন গোলাম মওলা মসজিদে তাঁর জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে মসজিদসংলগ্ন কবরস্থানে স্বামী চুয়াডাঙ্গা সোনালী ব্যাংকের প্রয়াত প্রিন্সিপাল অফিসার মো. ইয়াসিন আলী লস্করের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়।
এর আগে মঙ্গলবার বিকেল ৪টা ২০ মিনিটে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের আইসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান জেবুন্নেছা খাতুন। মৃত্যুকালে তিনি একমাত্র সন্তানসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
জানাজার আগে জেবুন্নেছা খাতুনের কর্মময় ও আদর্শিক জীবনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়। এতে বক্তব্য দেন চুয়াডাঙ্গা জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান, সাবেক আমির আনোয়ারুল হক মালিক এবং জেলা মজলিসে শুরা সদস্য অ্যাডভোকেট মসলেম উদ্দিন। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন জামায়াতের পৌর আমির অ্যাডভোকেট হাসিবুল ইসলাম।
জেবুন্নেছা খাতুনের জানাজায় ইমামতি করেন তাঁর একমাত্র সন্তান ও ঢাকা রূপনগর থানা জামায়াতের দপ্তর সম্পাদক প্রকৌশলী হাসান মোহাম্মদ ইউসুফ লস্কর। জানাজা শেষে মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া পরিচালনা করেন জামায়াতের ৯ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হাফেজ আব্দুস শুকুর।
জানাজায় ইসলামী ছাত্রশিবিরের চুয়াডাঙ্গা জেলা সভাপতি সাগর আহমেদ, সাবেক সভাপতি মুহসিন আলী, চুয়াডাঙ্গা জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক আবু জাফর মন্টু, বিএনপি নেতা অ্যাডভোকেট আব্দুর রউফ, অ্যাডভোকেট বদিউজ্জামানসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতাকর্মী ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
জেবুন্নেছা খাতুনের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে জামায়াতে ইসলামী চুয়াডাঙ্গা জেলা শাখা। সংগঠনের পক্ষ থেকে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জানানো হয়েছে।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, জেবুন্নেছা খাতুন দীর্ঘদিন জামায়াতে ইসলামীর রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। ২০০৭ সাল পর্যন্ত তিনি চুয়াডাঙ্গা পৌর জামায়াতের মহিলা বিভাগের সেক্রেটারি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। পরবর্তী সময়েও সংগঠনের প্রবীণ রুকন হিসেবে বিভিন্ন কার্যক্রমে যুক্ত ছিলেন।
তাঁর মৃত্যুতে স্থানীয় জামায়াতের নেতাকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের মধ্যে শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

শাহিন রেজা,মাল্টিমিডিয়া ইনচার্জ