সাংবাদিকদের প্রতিবাদের মুখে অনুষ্ঠান থেকে বাদ পরীমনি, বিকল্প অতিথি অপু-বুবলী

  • প্রথম দর্পণ,বিনোদন ডেক্স
  • আপলোড সময় : ০৮ নভেম্বর ২০২৬, ০৪:০৮ দুপুর
  • ৮৩৮০ বার পড়া হয়েছে

Banner Ad
https://prothomdorpan.com/admin/fav-icon-logo/image/1761146741.250..125.jpg
চট্টগ্রামে ‘ফ্যাশন ভ্যানগার্ড ২০২৬’ অনুষ্ঠানের অতিথির তালিকা থেকে অভিনেত্রী পরীমনিকে বাদ দিয়েছেন আয়োজকরা। সাংবাদিকদের প্রতিবাদ ও অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তার পরিবর্তে অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস কিংবা শবনম বুবলীকে অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানোর বিষয়টি বিবেচনা করছেন আয়োজকরা। তবে এখনো কারও নাম চূড়ান্ত হয়নি।

আগামী ২৮ নভেম্বর চট্টগ্রাম নগরীর খুলশী এলাকার একটি কমিউনিটি সেন্টারে অনুষ্ঠানটি হওয়ার কথা রয়েছে। শনিবার (৭ নভেম্বর) দুপুরে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়।

অনুষ্ঠানের মিডিয়া কো-অর্ডিনেটর ও পার্টনার খালেদ সুমন জানান, ঢাকা আদালত চত্বরে সাংবাদিকদের সঙ্গে পরীমনির সাম্প্রতিক ঘটনার আগেই অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার বিষয়ে তার সঙ্গে চুক্তি হয়েছিল। তবে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতিবাদ ও অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে তাকে অতিথির তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন আয়োজকরা। ইতোমধ্যে পরীমনিকে বিষয়টি জানানো হয়েছে এবং নতুন পোস্টারও প্রকাশ করা হয়েছে।

খালেদ সুমন বলেন, অনুষ্ঠানে আরও অনেক শিল্পী অংশ নেবেন। পরীমনির পরিবর্তে অপু বিশ্বাস কিংবা শবনম বুবলীকে আমন্ত্রণ জানানো হতে পারে। তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

এর আগে শুক্রবার (৬ নভেম্বর) পরীমনি নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে অনুষ্ঠানের পোস্টার শেয়ার করে লিখেছিলেন, ‘দেখা হচ্ছে প্রিয় চট্টগ্রাম।’ পোস্টারটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর চট্টগ্রামে কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অনেক সাংবাদিক আয়োজকদের অতিথি নির্বাচন পুনর্বিবেচনার আহ্বান জানান।

একটি জাতীয় দৈনিকের চট্টগ্রাম প্রতিনিধি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্টারটি শেয়ার করে সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকের কাছে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে বিষয়টি মীমাংসা না হলে আয়োজকদের বিকল্প অতিথি খোঁজার পরামর্শ দেন। পরে চট্টগ্রামের একাধিক সাংবাদিক সংগঠন অনুষ্ঠানটি বয়কট ও প্রতিহতের ঘোষণা দেয়।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত চত্বরে এক সাংবাদিকের সঙ্গে বাগ্‌বিতণ্ডায় জড়ান পরীমনি। পরীমনি ও তার দেহরক্ষীদের অভিযোগ, ওই সাংবাদিক তার গায়ে হাত দিয়েছিলেন। অন্যদিকে সাংবাদিকের অভিযোগ, ভিডিও ধারণের সময় পরীমনি তার মুঠোফোন কেড়ে নেন এবং ট্রাইপড ভেঙে ফেলেন। পরে অবশ্য ফোনটি ফেরত দেওয়া হয়।

তথ্যসূত্র: প্রকাশিত প্রতিবেদন, ৮ নভেম্বর ২০২৬।




কমেন্ট করুন:

ফেসবুকে আমরা
সর্বশেষ সংবাদ
Sidebar Ad